সংবাদদাতাঃ পাবনার চাটমোহরে শীতের শুরুতে কুমড়ো বড়ি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কয়েকটি গ্রামের গৃহিণীরা। উপজেলার দোলং, রামনগর, মথুরাপুর, বোঁথর, ফৈলজানা, কুমারগাড়া, হান্ডিয়াল ও পৌর এলাকা—মোট দেড় হাজার পরিবার কুমড়ো বড়ি উৎপাদন ও বিক্রির সঙ্গে যুক্ত।
স্থানীয়ভাবে তৈরি কুমড়ো বড়ির কদর এখন দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। রান্নায় স্বাদ বৃদ্ধির জন্য বিখ্যাত এই বড়ির চাহিদা শীতকালে আরও বেড়ে যায়। নানা রকম তরকারিতে এই বড়ির ব্যবহারও রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত বড়ি তৈরির মৌসুম। কাকডাকা ভোরে বড়ি তৈরি করে দিনের রোদে শুকানো হয়। রোদ না থাকলে বড়ি শুকানো যায় না। উপাদানের মধ্যে থাকে ডালের গুঁড়া, কুমড়ো ও অন্যান্য মসলা। কয়েক দিন কড়া রোদে শুকানোর পর বড়ি বাজারজাত করা হয়।
দোলং মহল্লার বড়ি উৎপাদনকারী উষা রাণী ভৌমিক বলেন, প্রায় ৫০ বছর ধরে বড়ি তৈরি করছি। আগে পাটায় ডাল গুঁড়া করতে হতো, এখন মেশিনে সহজেই হয়। তবে বড়ি শুকাতে রোদ দরকার।
বড়ি বিক্রেতা সুনীল সরকার ও প্রদীপ ভৌমিক জানান, একটি চাল কুমড়োর দাম এখন ১৪০–১৫০ টাকা। ডালের দামও বেড়েছে। সে কারণে বড়ির দাম কেজিপ্রতি ১২০–১৮০ টাকার মধ্যে। দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও বিদেশে থাকা বাংলাদেশিরাও বড়ি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। শহর-গ্রাম সব জায়গায় কুমড়ো বড়ির এখন ব্যাপক কদর।





